ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল বন্ধ করে অনলাইনে ক্লাসের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সোমবার

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ১২:১২:৪১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ১২:১২:৪১ অপরাহ্ন
স্কুল বন্ধ করে অনলাইনে ক্লাসের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সোমবার ফাইল ছবি
হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্কুল বন্ধ করে অনলাইনে ক্লাসের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সোমবার (২০ এপ্রিল) । রোববার (১৯ এপ্রিল) রিটকারী আইনজীবী লুৎফে জাহান পূর্ণিমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ২ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন তিনি।

রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। রিটে মৃত্যুর সংখ্যা, সংক্রমণ, টিকাদানের হার ও টিকার প্রাপ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
 
পাশাপাশি টিকাদানে ঘাটতি, সরবরাহ সংকট ও দেরির কারণ খুঁজতে স্বাধীন তদন্তের দাবিও জানানো হয়। আবেদনকারীর দাবি, এসব ব্যর্থতা সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। দ্রুত দেশব্যাপী জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চালুর নির্দেশনা চেয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এই প্রাদুর্ভাব আসলেই হামের না-কি অন্য কোন রোগ, সেটিরও তদন্তের নির্দেশনা চেয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
 
বর্তমানে দেশজুড়ে আতঙ্কের নাম অত্যান্ত সংক্রামক ব্যাধি হাম। দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ছোঁয়াচে এই রোগ। 
 
জানা গেছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬০ ভাগের বেশির বয়স ৯ মাসের কম। যাদের কেউই হামের টিকা পায়নি। সাধারণত নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় প্রথম ডোজ ৯ মাস এবং দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে দেয়া হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, ৯ মাসের পরিবর্তে এখন ছয় মাস বয়সেই প্রথম ডোজ টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
 
এদিকে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
 
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী,  চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর।
 
গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেয়া শুরু করে সরকার।
 
গত শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেয়া যাবে না।
 
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অনান্য জটিলতা।

হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা।
 
চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।
 
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ